জিব্রেলিক এসিড GA3
জিব্রেলিক এসিড ৩ বার ধাপে ধাপে ব্যাবহার করতে হয়।
১ম ব্যাবহার ফুলের থোকায় ফোটার আগে একবার দিতে হয়। তাহলে থোকা বড়ো হয়।
২য় ব্যাবহার ফল সেট হয়ে মটর দানার মতো হলে তখন দিতে হয়।ফলের সাইজ বড়ো হয় এবং সিডলেস হওয়ায় সহায়তা করে।
৩য় বার ব্যাবহার ফল মারবেল সাইজের হলে দিতে হয়। তখন পরিপূর্ণ সিডলেস হয়ে যায়।
এখানে ঢালাও ভাবে নিয়ম বলা হলো জাত ভেদে ব্যাবহার বিধি বা ৩ বারের বেশিও ব্যাবহার করা লাগতে পারে যদি ফল হারভেস্ট করে দেখা যায় যে সিডলেস হয়নি তাহলে।
প্রতি বারে নতুন করে রেডি করে ব্যাবহার শেষে অবশিষ্ট অংশ ফেলে দিতে হবে রেখে ২য় বার ব্যাবহার করা যাবে না।
সতর্কতাঃ
জিব্রেলিক এসিড যেমন উপকারী এবং কার্যকরী ঠিক তেমনি সেনসিটিভ।
পরিমান কম বেশি বা ভুল প্রয়োগ করার কারনে গাছ এবং ফল নস্ট হতে পারে তাই মন চাইলেই কিনে গাছে ব্যাবহার করে কোন সমস্যা হইলে সেই বিষয় আমার কোন দায় থাকবে না।
নিজ দায়িত্বে নিতে হবে এবং ব্যাবহার করতে হবে কোন রকম কোন ব্যাক্তির ভুলে বা ভুল ব্যাবহারে কোন ক্ষতি হলে আমি কোন দায় বহন করবো না।
আপনার প্রয়োজন হলে আপনি নিবেন নিজ দায়িত্বে ব্যাবহার করবেন, আমি শুধু সেল করবো সঠিক নিয়ম বলে দিবো পরামর্শ দিবো তারপরও নিজের ভুলের দোষ কেউ আমার উপর চাপিয়ে দিতে বা পোস্ট করতে পারবেন না।
জিব্রেলিক এসিড ব্যাবহার বিধিঃ
✅ প্রথম বার প্রয়োগ আঙ্গুর গাছে ফুল আসার ৭–১০ দিনের মধ্যে প্রয়োগ করতে হবে। অবশ্যই ফুল ফোঁটার আগেই দিতে হবে।
মাত্রা: ১লিটার পানির সাথে ০.৫ মিলি জিএ৩ ব্যবহার
পদ্ধতি: প্রস্তুত করা মিশ্রণের মধ্যে ফুলের থোকাটি ভালোভাবে ডুবিয়ে দিতে হবে।
✅ দ্বিতীয় বার প্রয়োগ যখন আঙ্গুরের সব দানা ঠিকমতো সেট হয়ে যায়, তখন প্রয়োগ করতে হবে।
মাত্রা: ১ লিটার পানির সাথে ০.৮ মিলি জিএ৩
✅ তৃতীয় বার প্রয়োগ দ্বিতীয়বার প্রয়োগের ৫ থেকে ৭ দিন পরে দিতে হবে।
মাত্রা: ১ লিটার পানির সাথে ১ মিলি জিএ৩
এই নিয়ম মেনে জিএ৩ ব্যবহার করলে আঙ্গুরের থোকা বড় হবে এবং ফল সীডলেস হবে
নোটঃ উপরের উল্লেখ্য নিয়ম অনুযায়ী ব্যাবহার করুন সাবধানতার সাথে ব্যবহার করতে হবে।

Reviews
There are no reviews yet.